১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০:৩৩
ব্রেকিংনিউজ
দ. সুনামগঞ্জে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, দুলাভাইর হাতে শ্যালক খুন দ. সুনামগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রাসেল বক্সের পিতার মৃত্যুতে আনছার উদ্দিনের শোক প্রকাশ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতামূলক প্রচার ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন: ওবায়দুল কাদের সুনামগঞ্জের কৃষি বিভাগের শুভংকরের ফাঁকি অসময়ে ধান কাঁটার তেলেসমাতি বিডি ফিজিশিয়ানের উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও চিকিৎসা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হরতাল : দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতের পিকেটিং দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ দ. সুনামগঞ্জে নানা আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

প্রচন্ড তাপদাহে পুড়ছে হাওরের জনপদ

মহাসিং ডেস্ক
  • আপডেট : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১০০ বার পঠিত

আলাল হোসেন রাফি:
প্রচণ্ড গরমে দক্ষিণ সুনামগঞ্জে নাভিশ্বাসে মানুষ।বয়ে যাচ্ছে মৃদু তাপপ্রবাহ। আগুন ঝরা রোদে হাঁপিয়ে উঠছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের মানুষের জনজীবন। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে হাপিত্যেশ করছে সবাই।টানাবৃষ্টি আর পরপর বন্যার পর প্রকৃতির এই পরিবর্তন সব প্রাণেই ছড়িয়েছে অস্থিরতা আর অস্বস্তি। প্রকৃতিতে সুনসান নিরবতা। নড়ছেনা গাছের পাতাও। হঠাৎ হাওয়া বইলেও এ যেনো গরম ছেক। পথ-ঘাট, বিপনীবিতান পুড়ছে রোদের দাবদাহে। কর্মহীন করে তুলছে শ্রমজীবি মানুষদের।

গরম থেকে রক্ষা পেতে কেউ বসছে গাছ তলায়। হাট-বাজারে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে দুর্ভোগের মাত্রা বাড়তে থাকবে বৈকি কমবে না বলে জানিয়েছেন ভোক্তভোগীরা। সিলেট অঞ্চলে তাপদাহ আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সিলেট আবহাওয়া অফিস।
এদিকে হটাৎ গরম আবহাওয়ায় দেখে দিয়েছে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব। বিশেষ করে শিশু বয়োজ্যেষ্ঠরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। স্থানীয় বাজার ও হাসপাতালগুলোতে রোগীর উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।
প্রচন্ড গরম প্রভাব ফেলেছে পেশাজীবী মানুষের মাঝে। দিনের প্রথমভাগে মানুষ কাজ শুরু করলেও তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতা কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে তেমন একটা বাইরে বের হচ্ছেন না। দিনের সূর্যের তাপ রাতে না থাকলেও সূর্যতাপের রেশ থাকছে মধ্যরাত পর্যন্ত।
গতকাল দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ১ ডিগ্রি কমে আসলেও কমনে এর প্রখরতা। ভ্যাপসা গরমে আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে মানুষ। গরমে মানুষ, পশু-পাখিসহ সব প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত নেমে এসেছে।
সোলাইমান নামে এক রিকশাচালক বলেন, গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম পড়েছে। সকাল বেলা রিকশা চালাতে পারলেও প্রচন্ড গরমে দুপুরে বের হওয়াই যায় না। রইদের তাপে মাথা ঘুরানি দেয়। তাছাড়া রাস্তাঘাটে মানুষও কম। এভাবে চলতে থাকলে আমারা গরীব মানুষ যাবো কই।
পাগলা উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ডা.হুমায়ুন কবীর বলেন,
জ্বর, সর্দি, কাশি গরমজনিত রোগবালাই বেড়ে চলেছে।
প্রতিটি ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। প্রচন্ড গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে শিশু ও বয়স্করা।
প্রচন্ড গরমে বেশি বেশি পানি, তরল খাবার, ফলের রস ও সুতি কাপড় পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

০৯/০৮/২০২০

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ

© All rights reserved ©2020 mahasingh24.com Developed by PAPRHI.XYZ
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo