১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০:৩২
ব্রেকিংনিউজ
দ. সুনামগঞ্জে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, দুলাভাইর হাতে শ্যালক খুন দ. সুনামগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রাসেল বক্সের পিতার মৃত্যুতে আনছার উদ্দিনের শোক প্রকাশ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতামূলক প্রচার ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন: ওবায়দুল কাদের সুনামগঞ্জের কৃষি বিভাগের শুভংকরের ফাঁকি অসময়ে ধান কাঁটার তেলেসমাতি বিডি ফিজিশিয়ানের উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও চিকিৎসা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হরতাল : দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতের পিকেটিং দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ দ. সুনামগঞ্জে নানা আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে জরুরী সেবা গ্রহণে টাকা দিতে হয়

মহাসিং ডেস্ক
  • আপডেট : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ২২৩ বার পঠিত

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল(জরুরী বিভাগ) পর্ব-২

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
২৫০ শয্যা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতলের জরুরী বিভাগ ও অটিরুমে সেবা নিতে গেলে কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়, ব্রাদার্স ও নার্সদের টাকা দিতে হয় সাধারণ রোগীদের। দুর্ঘটনা বা সংঘর্ষে আহত রোগী কিংবা মূমুর্ষ রোগীদের জরুরী সেবা প্রদান শেষে টাকা গ্রহণ যেনো নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে। রোগী প্রতি ৫০ থেকে ৩০০ টাকা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন কর্মরত ওয়ার্ডবয়, ব্রাদার বা সিস্টাররা। রোগীর ড্রেসিং, সেলাই কাটা,ব্যান্ডিসসহ টুকিটাকি সেবা গ্রহণ করতেও টাকা দিতে হয় হাসপাতালের জরুরী সেবা গ্রহণের এই দুইটি স্থানে এমন অভিযোগ করেছেন সাধারণ রোগী ও রোগীর স্বজনরা। ডাক্তার থেকে হাসপাতালের প্রশাসনিক পর্যায়ে এই বিষয়টি জানা থাকলেও এদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্টদের। তাই দিবালোকে হরহামেশাই চলছে টাকা নেয়া দেয়ার এমন চিত্র।

শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে গিয়ে এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। হাসপাতালের জুরুরী বিভাগ ও অটিরুমে অবস্থান করে ও রোগীদের কাছ থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনায় বা সংঘর্ষে কাটাছেড়া স্থান সেলাই, ব্যান্ডিস, ইনজেকশন প্রদান, ড্রেসিং করার পর টাকা দিতে হয় কর্তব্যরত নার্স কিংবা ব্রাদারদের। অনেক ব্রাদারকে টাকা দেয়া বাধ্যতামুলক হয়েগেছে বলে জানান তারা। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্রাদারদের কেউ কেউ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন রোগীর স্বজনদের সাথে।

সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রাম থেকে হাতভাঙ্গার ব্যান্ডিসটি দ্বিতীয়বার ঠিক করতে জুরুরী বিভাগে আসেন আমীন আলী। ব্যান্ডিস ঠিক করে বের হতে চাইলে কর্মরত ব্রাদার তাঁর কাছে ১০০ টাকা দাবি করেন। কর্তব্যরত ব্রাদাসের বাধ্যবাদকতায় ১০০টাকা দিতে হয় আমীন আলীর সাথে থাকা স্বজনকে ।

শাহীনূর নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, আমি আমার ভাতিজাকে নিয়ে হাসপাতালে আসছি তাঁর মাথা ফাটায় সেলাই করানোর জন্যে। ইনজেকশন, সুতাসহ সবই বাহির থেকে আনতে হয়েছে। ব্যান্ডিস শেষে ব্রাদার আমার কাছে টাকা চেয়েছে। আমি টাকা না দেয়া সে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

এদিকে একই অবস্থা অপারেশন থিয়েটারের। অটিরুমে রোগীর কাটাছেড়া স্থানে ড্রেসিং করতে হলে টাকা দিতে হয় কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়,ব্রাদার্স ও নার্সদের। অপরদিকে ওয়ার্ডে ভর্তিরত রোগীদের ছাড়পত্র নেয়ার দিন চা-নাস্তার খরচ চান কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয় ও ব্রাদাররা। এসব ক্ষেত্রে টাকা গ্রহণের বিষয়টি নিয়মে পরিণত হলেও কর্তৃপক্ষ এগুলো দেখেও না দেখার বান করেন।

তবে হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, সেবা প্রদানে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার কোনো নিয়ম নেই। এমন অভিযোগ পেলে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ

© All rights reserved ©2020 mahasingh24.com Developed by PAPRHI.XYZ
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo