২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ২:০১
ব্রেকিংনিউজ
সাংবাদিক হোসাইনের পিতার ইন্তেকাল, প্রেসক্লাবসহ সুধীজনদের শোকপ্রকাশ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি আনছার উদ্দিনের ঈদ শুভেচ্ছা ঈদে শপিং করে ফেরার পথে স্পিডবোট ডুবে মা-মেয়ের মৃত্যু পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নূর কালামের ঈদ শুভেচ্ছা পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুর রহমান শহিদের ঈদ শুভেচ্ছা দ. সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুহেল মিয়ার ঈদ শুভেচ্ছা দ. সুনামগঞ্জ মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি ও আফাজল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. শাকিল মুরাদ আফজলের ঈদ শুভেচ্ছা আফজল ফাউন্ডেশন যাকাতের শাড়ি পেলেন ৯০ জন দুঃস্থ নারী যুক্তরাজ্য প্রবাসী এহসান মির্জার ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় ফ্রান্স প্রবাসী ক্রিড়াবিদ আতিকুর রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা

লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

মহাসিং ডেস্ক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২০ বার পঠিত

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে (৮৫) রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। হাসপাতালটির মহাপরিচালক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন জানিয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের অবস্থা এখন ক্রিটিক্যাল।

ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বুধবার গণমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার রাত থেকে স্যারের অবস্থা খারাপের দিকে যায় এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। উনাকে তাৎক্ষণিক আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। তবে তিনি সাড়া দিচ্ছেন।

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গত ১৫ অক্টোবর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তিনি রক্তশূন্যতা, ইউরিন সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে। পরে শনিবার কিছুটা সুস্থ বোধ করলে সকালের দিকে রিলিজ নিয়ে বাসায় ফিরে যান তিনি। কিন্তু দুপুরের পরপরই আবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ডাক্তার রিচমন্ড রোল্যান্ড গোমেজের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ২০১১ সালে স্ত্রী ডা. ফরিদা হকের মৃত্যুর পর থেকে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন। তার ব্যক্তিগত ড্রাইভারই তার দেখাশোনা করেন। গত পৌনে ৪ বছর আগে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের বাঁ পায়ে অস্ত্রোপচার হয়। এরপর থেকে তার স্বাভাবিক হাঁটাচলা ব্যাহত হয়। মাঝেমধ্যে পায়ে ব্যথা হয়। যে কারণে হুইলচেয়ারে যাওয়া-আসা করতে হয়। পুরানা পল্টনের ছায়াশীতল, নিরিবিলি বাড়িতেই থাকতেন বেশিরভাগ সময়। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া আদালতেও এখন আর তেমন তার যাওয়া হয় না।

রফিক-উল হক ১৯৩৩ সালের ২ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুমিন উল হক। ১৯৫৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, ১৯৫৭ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ১৯৫৮ সালে এলএলবি অর্জন করেন তিনি। ১৯৬১ সালে ব্যারিস্টার (বার-এট-ল) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রফিক-উল হক ১৯৬০ সালে কলকাতা উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে বারের সদস্য হন। ১৯৬২ সালে তিনি ঢাকা উচ্চ আদালতে যোগদান করেন এবং ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৭৫ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে তিনি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনজীবী ছিলেন। কারণ তখন তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচিত হন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ

© All rights reserved ©2020 mahasingh24.com Developed by PAPRHI.XYZ
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo