১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২:১০
ব্রেকিংনিউজ
দ. সুনামগঞ্জে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, দুলাভাইর হাতে শ্যালক খুন দ. সুনামগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রাসেল বক্সের পিতার মৃত্যুতে আনছার উদ্দিনের শোক প্রকাশ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতামূলক প্রচার ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন: ওবায়দুল কাদের সুনামগঞ্জের কৃষি বিভাগের শুভংকরের ফাঁকি অসময়ে ধান কাঁটার তেলেসমাতি বিডি ফিজিশিয়ানের উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও চিকিৎসা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হরতাল : দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতের পিকেটিং দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ দ. সুনামগঞ্জে নানা আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

কাজের স্বীকৃতি দান মহত্ত্বের পরিচয়”

আলহাজ্ব মোঃ হুমায়ুন কবির
  • আপডেট : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ বার পঠিত

আমাদের বাঙালী চরিত্রে অনন্য সাধারণ একটি বৈশিষ্ট্য পরশ্রী কাতরতা। ছোট থেকে বড়, অশিক্ষিত থেকে শিক্ষিত, ছোট নেতা থেকে বড় নেতা প্রায় সবার মাঝে এই বৈশিষ্ট্যটি আমরা লালন করি। ছোট ছেলে নতুন জামা পড়ে বন্ধুর কাছে গেলো প্রশংসা পাবার আশায়।বন্ধুর অভিমত, সুন্দর হলে কি হবে রঙ ছুটে যাবে, তখন আর সুন্দর লাগবে না। প্রতিবেশীর ছেলে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলো শুনে আরেক ছেলের বাবা বললেন, পরীক্ষায় পাস করলে কি হবে চাকুরি পাবে না। ছেলেটি যখন চাকুরি পেল তখন বললেন চাকুরি পেলে কি হবে প্রমোশন হবে না। এক নেতা বহু দৌড় ঝাপ করে শরীরের ঘাম ঝরিয়ে স্থাপনা পাস করালেন। অন্য নেতাদের সাফ সাফ জবাব, উনার কোনো কৃতিত্ব নেই। উপরের দান। কারো অবদান যত ম্লান করা যায়, বাঘড়া বসিয়ে সুনাম নিজের করে নেওয়া যায় ততই কৃতিত্ব। আমরা ভুলে যাই মীরজাফরেরা যুগে যুগে জন্ম নেয় বটে, ইতিহাস তাদের লালন করে না, আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে। সাময়িক সুখ্যাতি সুখ্যাতি নয়। মানুষের হৃদয়ে যে কর্ম গৃহীত হয় সেটাই প্রকৃত পাওয়া।

সর্বাধিক বয়ঃজ্যোষ্ঠ একজন মানুষ যার এখন প্রচুর আরাম আয়েশের প্রয়োজন, বিশ্রামের প্রয়োজন, সেদিকে খেয়াল না করে বঞ্চিত এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সুনামগঞ্জের স্বার্থে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। সেই মানুষটিকে আমরা যথাযথ সম্মান দিতে পারছি না।

এই মানুষটি সরকারি দ্বায়িত্ব পালন কালে অতীতে যখন যেখানে গেছেন সর্বোচ্চ সম্মান পেয়েছেন। তাঁর ভালো কাজের জন্য সুনাম অর্জন করেছেন। আফসোস, আমরা আজ তাঁর ভালো কাজ গুলোর মূল্যায়ন করতে পারিনি । তাঁর অবদানকে স্বীকার করতে পারিনি। সুদুর অতীতে সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি সুযোগ পেলেই তিনি এলাকার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন। আমাদের উচিত ছিল তাকে সহযোগিতা করা, সম্মানিত করে তাঁর মাধ্যমে আরো কিছু অর্জনের পথ সুগম করা। তা না করে লুটেরা বাহিনী নিজেদের ব্যর্থতা ঘুচাতে তার অর্জনকে ম্লান করছে। শান্তি গঞ্জকে নিয়ে অনেকেই কটাক্ষ করতে কার্পণ্য করছেন না।শান্তি গঞ্জ ডুংরিয়াবাসীর অহংকারের জায়গা। এই জায়গাটিকে খোঁচা দিয়ে কথা বললে আমাদের কলিজায় আঘাত লাগে। সিলেট সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহা সড়কের পাশে শান্তিগঞ্জের বহু আগে গড়ে উঠেছে অনেক বাজার কিন্তু এখনো জীর্ণ-শীর্ণ, অনেকটা আবার বিলুপ্তও হয়ে গেছে। কিন্তু শান্তি গঞ্জ স্বমহিমায় ভাস্বর। নিশ্চয়ই শান্তিগঞ্জের উপর আল্লাহর বিশেষ ছায়া আছে। আমার বিশ্বাস, শান্তি গঞ্জকে যারা অবমূল্যায়ন করেছেন খুব শীঘ্রই শান্তি গঞ্জের সুখ্যাতি তারা করবেন।
উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শান্তি গঞ্জে না হয়ে সদরে হওয়ায় আমরা যতটানা আঘাত পেয়েছি তার চাইতে বেশি ব্যথিত হয়েছি আমাদের প্রিয় নেতা কষ্ট পেয়েছেন, আহত হয়েছেন। এটি দক্ষিণ সুনামগঞ্জবাসীর হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ করছে । জানিনা, কবে এই রক্ত ক্ষরণ থামবে। আমরা চাই, আমাদের প্রিয় নেতা জননেতা জনাব এম এ মান্নান এম পি সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। দীর্ঘ দিন আমাদের মাঝে থাকুন।

লেখক : শিক্ষক

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ

© All rights reserved ©2020 mahasingh24.com Developed by PAPRHI.XYZ
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo